শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ১১:৫৫ পিএম, ২০২৬-১০-১৪
বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নম্বর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছার মুখ এলাকা থেকে তিন কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণির রেজিষ্ট্রেশন কার্ড আনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর গত ১১ অক্টোবর থেকে তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় নিখোঁজ কিশোরীদের পরিবারের সদস্যরা লামা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। সন্তানদের ফিরে পাওয়ার আশায় দিন কাটছে তিন পরিবারের সদস্যদের। অন্যদিকে, নিখোঁজের কারণ ও তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
নিখোঁজ তিন কিশোরী ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তারা হলো, রেশমি আক্তার (১৭), তানিয়া সুলতানা (১৩) ও হালিমাতুচ্ছ সাদিয়া (১৪)। রেশমি আক্তারের বাবা শহিদুল ইসলাম ও মা রোজিনা আক্তার। তাদের বাড়ি ইয়াংছার বনফুর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। তানিয়া সুলতানার বাবা আবুল হাশেম ও মা কুলছুমা বেগম। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাদের বাড়ি ইয়াংছারমুখ মুসলিম পাড়ায়। একই এলাকায় বসবাস হালিমাতুচ্ছ সাদিয়ার পরিবার। তার বাবা বেলাল উদ্দিন ও মা শারমিন আক্তার।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে রেজিষ্ট্রেশন কার্ড আনার কথা বলে তিন কিশোরী একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়। রেশমি ৮ম শ্রেনি পর্যন্ত ঐ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। তার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড আনার কথা শুনে অন্য দুই কিশোরীও সঙ্গে বের হয়েছিল।
বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তারা একটা সিএনজিতে করে ইয়াংছা বাজারে যায়। পরে সেখান থেকে ২০০টাকা দিয়ে একটি টমটম ভাড়া নিয়ে চকরিয়ার দিকে রওনা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এরপর তারা কোথায় গেছে, কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কি না কিংবা কী কারণে নিখোঁজ হয়েছে, এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, তিন কিশোরীর নিখোঁজের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও। পরিবারের সদস্যরা তাদের দ্রুত সন্ধান ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে সন্তানদের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) জামিল আহমেদ জানান, নিখোঁজের বিষয়টি জানার পর পুলিশ নিজ উদ্যোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও গণমাধ্যমে বিষয়টি সামনে আসার পর পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে অভিভাবকদের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুফিজ উদ্দিন জানান, গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিক থেকেই ওই শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে অনিয়মিত ছিল। স্থানীয় গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে তিনি তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পেরেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অভিভাবক সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বলে জানান তিনি।
তিন কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ এবং তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের সন্ধানে পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীদের দ্রুত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
মোহাম্মদ নুরুদ্দোজা, চকরিয়া
আমাদের ডেস্ক : : আসন্ন প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্য সরকারি উদ্...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত ও জাহাজ চলাচল নিয়ে সুখবর আসতে যাà...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : অবশেষে টেকনাফের অনুমোদনহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে মাঠে নামলো স্বাস্থ্য বিভা...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের উপকূল দিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় মানব পাচারকারী চক্র আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠার অভিযোগ পাà...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত এখন যেন মাদকের হটস্পট। এই দুই উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের এমন কোনো à¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited